মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

যোগাযোগ

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর যাত্রা শুরু হয় ১৯৭২ সালে। গবেষণাধর্মী এই প্রতিষ্ঠানটি মূলতঃ দেশের প্রত্যমত্ম অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন প্রত্নসম্পদ অনুসন্ধান ও উৎখননের মাধ্যমে সংগ্রহ করে এবং এগুলো সংস্কার-সংরক্ষণ, প্রদর্শন, গবেষণা ও প্রকাশনার মাধ্যমে এ ভূ-খন্ডের প্রত্নতাত্ত্বিক ইতিহাসের চর্চা করে থাকে। জাতীয় ঐতিহ্যের সংরক্ষক হিসেবে এ দপ্তরটি নিরলস ও নিরবিচ্ছিন্নভাবে দেশের ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি সংস্কার-সংরক্ষণ করছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫,২৩ ও ২৪ নং অনুচ্ছেদের নির্দেশনা প্রতিপালনের লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সুরক্ষা ও উন্নয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। ১৮৬১ সালে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া আত্নপ্রকাশের মধ্য দিয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর প্রথম যাত্রা শুরু হয় । স্বাধীনতার পরে ১৯৮৩ সালে বিভাগীয় পুনঃবিন্যাসের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকায় প্রধান দপ্তরসহ ৪টি বিভাগে আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ৫টি জাদুঘরসহ মোট ৯০ টি প্রত্নস্থল রয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনসাধারণের প্রত্যাশাপূরণে সরকার দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি জাদুঘর স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের গৌরব উজ্জ্বল ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান সংরক্ষণ ও উপস্থাপনের জন্য ১৯৯৭ সালে তৎকালীন সরকার কর্তৃক খুলনা মেট্রোপলিটন শহরের কেন্দ্র স্থলে ৪৯৫.৮৬ লক্ষ টাকা ব্যায়ে একটি জাদুঘর স্থাপন করা হয়। ১৯৯৮ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনা বিভাগীয় জাদুঘরের শুভ উদ্বোধন করেন। খুলনা এবং সমগ্র বাংলাদেশ ভূ-খন্ডের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত প্রত্নসম্পদগুলো এই জাদুঘরে ধারাবাহিকভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে, যা এই অঞ্চল তথা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে।

         

কাস্টোডিয়ান

বাগেরহাট জাদুঘর, বাগেরহাট।

E-mail: bagerhatmuseum@yahoo.com

ফোনঃ 0468-62786

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter